Bangladesh GlobalBangladesh Global
  • Country
  • Abroad
  • Politics
  • Diplomacy
  • Parliament
  • Secretariat
  • Defense
  • Local News
  • Expatriate
  • Sports
  • Video
  • More
    • Economy
    • City
    • Health
    • Crime
    • Law & Justice
    • Environment
    • Education
    • Agriculture
    • tech
    • Tourism
    • Media
    • Religious
    • Opinion
    • Lifestyle
    • Entertainment
    • Gallery
  • Privacy Policy
  • Reporter List
  • Advertisement
  • Bengali Converter
  • Complaints
  • Contact
Copyright © 2019-2026 Bangladesh Global| Powered By: Hur Agency
Notification
Bangladesh GlobalBangladesh Global
  • Country
  • Abroad
  • Politics
  • Diplomacy
  • Parliament
  • Secretariat
  • Defense
  • Local News
  • Expatriate
  • Sports
  • Video
  • More
    • Economy
    • City
    • Health
    • Crime
    • Law & Justice
    • Environment
    • Education
    • Agriculture
    • tech
    • Tourism
    • Media
    • Religious
    • Opinion
    • Lifestyle
    • Entertainment
    • Gallery
Follow US
Copyright © 2019-2026 Bangladesh Global| Powered By: Hur Agency
OpinionPolitics

ইতিহাস গড়তে চায় জামায়াতে ইসলামী

Noto Post Icon
Bangladesh Global
Noto Post Icon
ByBangladesh Global
Dhaka, Bangladesh
Bangladesh Global is a Bangla online news portal registered with the Ministry of Information, Government of Bangladesh, which focuses on publishing positive and constructive news. It...
Follow:
- Dhaka, Bangladesh
Published: February 4, 2026
Share
12 Min Read
SHARE

আশরাফুল কবির আসিফ, বাংলাদেশ গ্লোবালবাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী দলগুলোর জন্য এক অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম তারা সর্বোচ্চ সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে মনের চাওয়া আর বাস্তবতার একটা ফারাক তো থাকেই। ক্ষমতায় যেতে হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’কে আরও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ৮ দিন বাকি। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ ১১টি দলের সাথে নির্বাচনী মোর্চা গঠন করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডা. শফিকুর রহমান। সারাদেশে নির্বাচনী হাওয়া নিজেদের পক্ষে আনতে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে জামায়াত এবার এককভাবে বা তাদের জোটের অধীনে ২২৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

- Advertisement -
desh bondhu adv alldesh bondhu adv all

জামায়াত ও এনসিপির বাইরে এই জোটের অন্য দলগুলো হলো: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও বাংলাদেশ লেবার পার্টি। এই জোটের শরিক দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৩৩টি, এনসিপি ও এবি পার্টি ৩০টি, খেলাফত মজলিস ২০টি, এলডিপি ১২টি, খেলাফত আন্দোলন ৮টি, নেজামে ইসলাম ও বিডিপি ২টি এবং জাগপা ১টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

তবে শেষ মুহূর্তে হয়তো তাদের কেউ কেউ জোটের অন্য প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়াবেন। আর তা না হলে নিজেদের মধ্যে অল্প কিছু হলেও ভোট কাটাকাটি হবে। এমনিতেই জামায়াত কিছুটা হলেও বেকায়দায় রয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ায়। ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ বা ‘এক বাক্স নীতি’র অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য জোটবদ্ধ হয়েছিল জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন। তবে আসন সমঝোতা নিয়ে টানাপোড়েনের পর এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয় চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দলটি।

এতো কিছুর পরও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ভোট ব্যাংক মোটামুটি সুসংহত রয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে জামায়াত কখনো ক্ষমতায় না থাকলেও ২০০১ সালের বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের প্রধান শরিক ছিল দলটি। জামায়াতের শীর্ষ দুই নেতা ওই সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। অবশ্য এবারের নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবেই জামায়াতের প্রধান প্রতিপক্ষ সেই বিএনপি। দীর্ঘদিনের মিত্র হলেও বিএনপির সাথে জামায়াত জোটের প্রায় সব জায়গাতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে সামনে চলে এসেছে বিএনপি ও জামায়াত জোটের একক প্রার্থীর বদলে এলাকা ভিত্তিক কৌশলগত লড়াই। ঢাকা এবং চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির সাথে জামায়াত জোটের লড়াই হতে পারে হাড্ডাহাড্ডি। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজে লড়ছেন ঢাকা-১৫ আসন থেকে। প্রায় প্রতিদিনই তিনি দেশের নানা প্রান্ত চষে বেড়াচ্ছেন। এর আগে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার পূর্বে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গেছেন এবং জামায়াতের পক্ষে অনুকূল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেছেন।

এই জোটের প্রধান ভিত হলো জামায়াতের সারাদেশের একদম প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা বিশাল নেটওয়ার্ক। নিজেদের দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে জামায়াতের নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা সাধারণত যান না। ফলে তাঁরা তাঁদের দলের অনুমোদনের বাইরে একটা ভোটও অন্য জায়গায় যেতে দেবেন না। আর এই সুফল নেওয়ার আশায় এনসিপিসহ বাকি ১০টি দল জামায়াত জোটে যুক্ত হয়েছে।

অবশ্য জামায়াতের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মনে এ নিয়ে খানিকটা মন কষাকষি আছে। তাঁদের ধারণা, এই আসনগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা জামায়াতের প্রার্থীদের ভালো সুযোগ ছিল। বাস্তবতাও অনেকাংশে সঠিক। জামায়াত জোটের স্বার্থে নিজেদের বেশ কিছু ভালো আসন ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে যতো দ্রুত সম্ভব এনসিপি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতাদের কাজ করতে হবে।

জামায়াত নেতা-কর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে নামানোর পাশাপাশি সমর্থকদের ভোট নিশ্চিত করতে না পারলে এনসিপি নেতাদের নির্বাচনী ক্যারিয়ার শুরুতেই হোচট খাবে। অবশ্য কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচন করতে না পারায় দারুণ সুবিধাজনক অবস্থানে এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ। তবে দলটির আহবায়ক নাহিদ ইসলামকে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে হলে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হবে। একই কথা প্রযোজ্য বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের জন্যও। অবশ্য ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসা থাকায় নাহিদ ইসলামের চেয়ে কিছুটা ভালো অবস্থানে থাকবেন তিনি।

সারাদেশে ইসলামী ভাবধারার মানুষের মাঝে জামায়াতের একটা প্রভাব বরাবরই ছিল। গত ১৮-১৯ মাসে তা আরও বেড়েছে। প্রচলিত ধারণা হলো, যেখানে, যে স্থানে বা যে জায়গায় যাকে দরকার, দলটির সেই ব্যক্তি সেখানে আছে। হয় তারা তাঁকে সেখানে বসাতে সক্ষম হয়েছে বা ইতিমধ্যে ম্যানেজ করেছে। আর এই জায়গাটাতে বিএনপি থেকে তারা বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে। বিএনপি শেষ সময়ে এসে যেসব বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে জামায়াত তা আরও কয়েক মাস আগেই করে রেখেছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা এভাবেই সাফল্যের মুখ দেখেছে।

আরও একটি বিষয় তাদের ফেভারে কাজ করছে, তা হলো দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী থাকা। বিএনপির গলার কাঁটা হলেও জামায়াতের জন্য এই ক’দিন আগেও ধানের শীষের হয়ে গলা ফাটানো এসব নেতা বা নেত্রী আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছেন। ক্ষেত্র বিশেষে তাঁরা জামায়াত জোটের প্রকাশ্য সমর্থন না পেলেও নীরব সহযোগিতা পাচ্ছেন। এখানে জামায়াত জোট একটা সুবিধাজনক অবস্থায় আছে।

অনলাইনে জামায়াতের নেতা-কর্মী তো বটেই, সমর্থকরাও দুনিয়ার নানা প্রান্তে প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে দলটির পক্ষে কথা বললেও অনেকেই সাধারণ মানুষের বেশে তাদের হয়ে কথার লড়াইয়ে নামছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব উপস্থিতি গত কয়েক মাস ধরেই দেশের মানুষের মাঝে জামায়াত সম্পর্কে একটা শক্তিশালী অবস্থানের জানান দিচ্ছে। অবশ্য বিএনপি সমর্থকরা বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতে না চাইলেও সাম্প্রতিক অতীতে তাদের বেশ কয়েকবার বিরুপ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে।

দেশে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় গত বছর দেড়েকের মধ্যে গ্রাম-গঞ্জ থেকে শুরু করে খোদ ঢাকায় অনেক মাদ্রাসা এবং ইসলামী ভাবধারায় পরিচালিত স্কুল গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে আবার অনেক প্রতিষ্ঠান আবাসিক। এসব মাদ্রাসা এবং মসজিদ ও মক্তব ঘিরে দেশের একটা বিশাল জনগোষ্ঠী জামায়াতের কর্মকাণ্ডের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।

এ বিষয়ে নিজের একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। দেশের এক প্রত্যন্ত এলাকার এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় ব্যাটারি চালিত অটো রিকশায় করে যাচ্ছি। চালক বাদে যাত্রী আটজন। প্রায় সন্ধ্যা। আস্তে আস্তে সব যাত্রী নেমে গেলেন। শুধু এক বয়স্ক মহিলা ও আমি।

তিনিই প্রথমে কথা বলা শুরু করলেন। পরিচয় জানতে চাইলে শুধু বললাম, বেড়াতে এসেছি। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, তাঁর চার সন্তান। একজন সরকারি কর্মকর্তা। ইঞ্জিনিয়ার। দু’জন মেয়ে অনার্স শেষে বিয়ে দিয়েছেন। ছোট ছেলে অনার্সে পড়ছেন। এ কথা, সে কথায় তিনি জানালেন দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিবেন।

অতীতে বিএনপির এলাকা বলে পরিচিত হওয়ায় আমি তখন কৌতুহলবশত জিজ্ঞাসা করলাম, ‘চাচী, আপনাদের এই প্রার্থীর নাম কী?’ তিনি অনেকক্ষণ চেষ্টা করেও সেই প্রার্থীর নাম বলতে পারলেন না। এরপর আর কথা বেশিদূর এগোয়নি। বিষয়টি হলো, জামায়াত তার ভোটারদের কাছে একটা মেসেজ বেশ ভালোভাবেই বোঝাতে পেরেছে, প্রার্থী কে তা জানার চেয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক চেনানোই আসল লক্ষ্য। এতে আপনার ভোট হাতছাড়া হওয়ার সুযোগ নেই।

আরও একটি জিনিস আমার চোখে পড়েছে, শহর থেকে গ্রাম – বোরকা বা হিজাব পড়া স্কুলগামী মেয়ে থেকে শুরু করে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রী এবং সাধারণ মহিলারা জামায়াতের পক্ষে নীরবে অবস্থান নিচ্ছেন। হয় তাঁরা ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট দেখে দলটির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন অথবা জামায়াতের শক্তিশালী প্রচারণা তাঁদের দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে উৎসাহিত করছে।

এর বাইরে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাফল্য তরুণ সমাজের মধ্যে জামায়াতের দৃষ্টিভক্তিতে বেশ পরিবর্তন এনেছে। এখানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে ঘিরে নানা নেতিবাচক প্রচারণাও একটা বড় ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি এনসিপি এই জোটে থাকায় একটা বাড়তি সুবিধা এমনিতেই জামায়াত জোট পাবে।

তবে বিগত সময় সরকারে থাকা দলটির সমর্থক এবং হিন্দু ভোটারদের জামায়াত কীভাবে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে – এটা এবারের নির্বাচনের একটা বড় ইস্যু। বিশেষ করে দেশের সীমান্তবর্তী জেলা এবং সেই দল অধ্যুষিত এলাকায় এই ভোট একটা বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে।

নিজের আরও একটা অভিজ্ঞতার কথা বলছি। এক জেলার একই উপজেলার মধ্যে এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় যাওয়ার জন্য অটোতে উঠেছি। রাত হওয়ায় যাত্রী নেই। শুধু আমি। প্রচণ্ড শীত হওয়ায় বেশ ঠান্ডা লাগছিল। তার মধ্যে অচেনা জায়গা এবং একদম অন্ধকারাচ্ছন্ন নীরব রাস্তা।

কিছুক্ষণ পর অটো চালক নিজে থেকেই কথা বলা শুরু করলেন। আমি শুধু হু, হ্যাঁ – এভাবেই উত্তর দিচ্ছিলাম। আর তাঁর কথা শুনছিলাম। হঠাৎ একটা কথা আমাকে তাঁর দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিতে বাধ্য করলো। তিনি বলছিলেন, ‘সারাজীবন ওই দলকে ভোট দিছি। এবার তারা নেই।’ আমি বললাম, ‘তাহলে কাকে ভোট দিবেন? না কি দিবেন না?’ অটো চালক বললেন, ‘আমি কোনোদিন পাল্লায় ভোট দিবো না।’ আমি কারণ জানতে চাইলাম। তিনি জামায়াতের অতীত নিয়ে কথা বললেন। আমি তাঁর ব্যাখ্যা শুনে শুধু জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ভাই, কতো দূর পড়াশোনা করেছেন?’ তিনি বললেন, ‘স্কুলে গেছেন। কিন্তু ম্যাট্রিক পাশ করার আগেই বাদ দিতে হয়েছে।’

এই একটা বিষয় জামায়াতকে সব সময় তাড়া করবে। মানুষের মাঝে বিষয়টি নিয়ে দলটি সম্পর্কে একটা অস্বস্তি আছে। এ ধরনের ভোটারদের নিজেদের পক্ষে টানতে জামায়াত অবশ্য এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকে জোটে নিয়েছে। আর বিএনপির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে সরাসরি দলে নিয়েছে জামায়াত।

আরও একটি বিষয় নিয়ে খানিকটা বিপাকে আছে জামায়াতে ইসলামী। তা হলো নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি। এ নিয়ে বিএনপি ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে জামায়াতকে। দলটির পক্ষ থেকে বারবার অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করা হলেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা তাদের পিছু ছাড়ছে না।

তবে এতো কিছুর পরও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের আত্মবিশ্বাসের পেছনে নানা কারণ রয়েছে। এনসিপি জোটে থাকায় তাদের প্রতি অন্তবর্তী সরকারের একটা অংশের নীরব সমর্থন আছে বলে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ধারণা রয়েছে। আবার বাংলাদেশের ক্ষমতার বৃত্তে যারা অবস্থান করে, এরকম বেশ কয়েকটি জায়গায় জামায়াত সমর্থকরা শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছেন বলে নানা আলোচনা রয়েছে। তবে বিষয়টি যাই হোক, ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ঘটনায় জামায়াত জায়গা মতো তাদের অবস্থান শক্ত প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী অবস্থানে থাকতে হলে বিদেশি বন্ধুদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে হয়। এখানে জামায়াত অতীত থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছে। প্রতিবেশী একটি দেশ, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইসলামী বিশ্বের সাথে তাদের আগে থেকেই একটা ভালো সম্পর্ক ছিল। এখন তারা পশ্চিমাদের সাথেও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো দেশের রাষ্ট্রদূত দেখা করছেন।

জামায়াতের আরেকটা বড় শক্তি তাদের আর্থিক সক্ষমতা এবং স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। জামায়াত তার নেতা-কর্মীদের কখনো ছেড়ে যায় না – এটা ভোটের মাঠে তার অনুসারীদের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে সাহায্য করবে। বিপদে পড়লে নিজেদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কর্মীরা সুবিধা পান। আবার অসুস্থ হলে নিজেরাই কম খরচে তাদের চিকিৎসা দিতে সক্ষম। এটাও নির্বাচনে জামায়াত কর্মীদের বাড়তি অনুপ্রেরণা।

সব মিলিয়ে বলতে পারি, জামায়াত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এতো ভালো অবস্থানে থেকে ভোটের লড়াইয়ে নামেনি। দলের কর্মী-সমর্থকদের প্রত্যাশা হয়তো তারা পূরণ করতে পারবে না! তবে আসনের হিসেবে নিজেদের দলের অতীত রেকর্ড তারা এবার ভাঙবে – এটা সুস্পষ্টভাবে বলাই যায়। আর তাও যদি হয়, আগামী ৫-১০ বছর পরে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের আবির্ভূত করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

Scan to read Bangladesh Global in online
VIA:আশরাফুল কবির আসিফ
Share This Article
Pinterest Tumblr Reddit Threads Copy Link

Latest news

pm
Bangladesh, Malaysia sign 2 deals after bilateral talks in Putrajaya
Prime Minister Lead News
Foreign Secretary Asad Alam Siam interacted with journalists at a media briefing at the foreign ministry today. Photo: MoFA
Dhaka, Beijing to sign 15-17 instruments during PM’s visit: FS
Lead News Country
Photo: Collected
Bangladesh renews call for Rohingya repatriation at UN
Lead News
British High Commissioner to Bangladesh Sarah Cooke today met with Prime Minister Tarique Rahman at his office in the Jatiya Sangsad Bhaban. Photo: PMO
UK envoy calls on PM, expresses interest in investment in aviation sector
Prime Minister Lead News
Prime Minister Tarique Rahman addresses a programme at the Prime Minister's Office (PMO) in Tejgaon today on the occasion of the 40th founding anniversary of the Special Security Force (SSF). Photo:PMO
PM asks SSF not to distance him from people on security ground
Prime Minister Focus
Chinese Ambassador Yao Wen called on Prime Minister Tarique Rahman at Jatiya Sangsad Bhaban office. Photo : PMO
Chinese ambassador meets PM
Lead News Prime Minister
অ্যান্টার্কটিকার পর এবার সুমেরু জয়ে দুই বাংলাদেশি অভিযাত্রী
Salahuddin Sumon and Nilay Begin Arctic Expedition
Travel
ভলিবল খেলোয়াড়দের পাশে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী মোঃ বাবুল হোসেন
Dhaka Traders jerseys distributed in Maldives
Expatriate Sports
আবুধাবি
Dubai BNP holds exchange of views with Consul General
Expatriate

You Might Also Like

কমিটি পূর্ণাঙ্গ করায় উজ্জীবিত গোপালগঞ্জ যুবদল, শহরে আনন্দ মিছিল

District Jubo Dal’s joyous procession in Gopalganj congratulating Tarique Rahman

June 19, 2026
ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল

Tofail Ahmed passes away

June 19, 2026
মালয়েশিয়া

BNP prayer and discussion meeting in Malaysia

June 19, 2026
মালদ্বীপ

Maldives observes 45th martyrdom anniversary of martyred President Ziaur Rahman

June 19, 2026
Show More

Editor & Publisher: Ashraful Kabir Ashif

Address: 14/26, Shahjahan Road, Town Hall

Mohammadpur, Dhaka-1207, Bangladesh

Telephone: +88 02 222243678 | WhatsApp: +88 01711 600693

Email: bangladeshglobal247@gmail.com

Bangladesh Global | Registered Online News Portal (Reg No: 49) | by Press Information Department (PID) & Ministry of Information and Broadcasting, Government of Bangladesh.
Bangladesh GlobalBangladesh Global
Follow US
Copyright © 2019-2026 Bangladesh Global| Powered By: Hur Agency
  • Privacy Policy
  • Reporter List
  • Advertisement
  • Bengali Converter
  • Complaints
  • Contact
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?